পৃথিবীতে বছর দুয়েকের মধ্যেই আছড়ে পড়বে ভয়াবহ সৌর ঝড়। ফলে ছিন্নভিন্ন হয়ে যেতে পারে সারা পৃথিবীর ইন্টারনেট সংযোগ! যাকে বলা হচ্ছে ‘ইন্টারনেট অ্যাপক্যালিপস’।
২০২৫ সালেই এই বিপদের মুখে পড়তে পারে পৃথিবী। নেটদুনিয়া ছেয়ে গেছে এমন গুঞ্জনে। তবে নাসা এখনও এ নিয়ে মন্তব্য না করলেও এই উদ্বেগ যে পুরোটাই কাল্পনিক না তা মনে করা হচ্ছে। সৌর ঝড় হচ্ছে সূর্য লাগাতার পৃথিবীর দিকে তড়িৎচুম্বকীয় কণা ছুঁড়ে মারতে থাকে। ফলে তৈরি হয় সৌর বাতাস। সেই বাতাসকে পৃথিবী তার মেরুদেশে পাঠিয়ে দেয়। ওই সৌর বাতাসের থেকে কোনো বড় ক্ষতির মুখে পড়তে হয় না আমাদের গ্রহকে। কিন্তু একশো বছরে একবার সৌর বাতাস থেকে সৃষ্টি হয় সাংঘাতিক সৌরঝড়ের।
- গবেষকদের আশঙ্কা, এর ধাক্কায় বড়সড় ক্ষতি হতে পারে পৃথিবীর। ২০২৫ সালে তেমনই এক ভয়াবহ সৌর ঝড় সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা ঘিরেই তৈরি হয়েছে উদ্বেগ। বলা হচ্ছে, সেই ঝড় চলতে পারে কয়েক মাস! একে বলা হচ্ছে ‘সোলার ম্যাক্সিমাম’। ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কম্পিউটার সায়েন্সের অধ্যাপক সংঘীতা আবদু জ্যোতি জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত এমন কোনো মাত্রাতিরিক্ত ঝড়ের মুখোমুখি হইনি আমরা। আমাদের জানা নেই আমাদের পরিকাঠামো এর মোকাবিলা করবে কী করে?
এর আগে ১৮৫৯ ও ১৯৮৯ সালে প্রবল সৌর ঝড়ের মুখে পড়েছিল পৃথিবী। প্রথমটির ক্ষেত্রে বহু টেলিগ্রাফ লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। পরের ঘটনায় পাওয়ার গ্রিডের সংযোগ ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু ইন্টারনেটের রাজত্ব শুরু হওয়ার পর এমন পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়নি। তাই ‘ইন্টারনেট অ্যাপোক্যালিপস’ নিয়ে আশঙ্কা বেড়েই চলেছে।
ডেইলি কলমকথার সকল নিউজ সবার আগে পেতে গুগল নিউজ ফিড ফলো করুন
দৈনিক কলম কথা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।